Showing posts with label Information & Technology. Show all posts
Showing posts with label Information & Technology. Show all posts
Monday, May 1, 2017
Sunday, April 30, 2017
Friday, February 3, 2017
ফেসবুক ব্যবহারকারী কত?
মাসিক সক্রিয়তার হিসেবে ফেসবুক ব্যবহারকারী সংখ্যা ১৮৬ কোটি পেরিয়েছে। গত বুধবার গত বছরের শেষ প্রান্তিকের আয় ঘোষণার সময় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ তথ্য প্রকাশ করেছে।ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, গত প্রান্তিকে মাসিক হিসেবে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ বেড়ে ১৮৬ কোটি হয়েছে। গত বছরের ২ নভেম্বর বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের আয় ঘোষণার সময় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছিল, ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৭৯ কোটি। অর্থাৎ, বর্তমানে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে।ইন্টারনেট নজরদারির ওয়েবসাইট ইন্টারনেট লাইভ স্ট্যাটসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত হিসেবে ধরলে বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৪২ কোটি। অর্থাৎ, বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৫২ শতাংশই প্রতি মাসে অন্তত একবার ফেসবুকে ঢোকেন।
ফেসবুকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসে মোবাইল যন্ত্র থেকে ফেসবুকে ঢোকার হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ বেশি। প্রতি মাসে মোবাইল থেকে অন্তত একবার ফেসবুকে ঢোকেন ১৭৪ কোটি মানুষ। বর্তমানে ফেসবুকের দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারী ১২৩ কোটি যা গত বছরের চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি। মোবাইলে দৈনিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১৪ কোটি ৯০ লাখ যা গত বছরের চেয়ে ২৩ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, ফেসবুকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে দুই কোটি ৪০ লাখ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন। গত প্রান্তিকের ফল অনুযায়ী এশিয়ার বাজারে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি ঘটেছে ফেসবুকের। এরমধ্যে শেষ প্রান্তিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ছিল ভারত।
তবে এখনো চীনে ফেসবুক ঢোকার অনুমতি পায়নি। বিশ্লেষকেরা প্রশ্নের জবাবে ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ‘বিশ্বে সবাইকে সংযোগের আওতায় আনার লক্ষ্য আমাদের। চীনের এক শ কোটির বেশি মানুষকে বাদ দিয়ে ওই লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়।’ জাকারবার্গ বলেন, ২০১৬ সালে আমাদের ব্যবসা ভালো হয়েছে। কিন্তু সব মানুষকে একসঙ্গে আনার ক্ষেত্রে সামনে আমাদের আরও কাজ বাকি আছে। এখন আমাদের সব মানুষকে একজায়গায় আনার লক্ষ্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।-------------------------------------------- তথ্যসূত্র: এএফপি
Monday, January 30, 2017
স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন জয়ী চার প্রকল্প
স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন প্রতিযোগিতার চারটি ভিন্ন বিভাগে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে গতকাল শনিবার। ৩৬ ঘণ্টার আন্তর্জাতিক এই হ্যাকাথনে বিজয়ী প্রকল্পগুলো হচ্ছে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের শিক্ষার্থীদের ‘সার্চ বট’, উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ‘ফ্লোটিং সিটি’, রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের ‘অক্সোমাস্ক’ ও ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুলের ‘ইকো ফ্রেন্ডলি সোর্স অব ইলেকট্রিসিটি এনার্জি’। স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসার ওপেন ডেটানির্ভর ৩৬ ঘণ্টার একটি হ্যাকাথন। এটি পরিচালনায় সহায়তা করে নাসার সহযোগী প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান ‘সেকেন্ড মিউজ’। তিনটি ভিন্ন বিভাগে (১ম-৪র্থ শ্রেণি, ৫ম-৮ম শ্রেণি, ৯ম, দ্বাদশ শ্রেণি) শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এই আয়োজন করা হয়। জয়ী প্রতিটি দল পরবর্তী সময়ে পাঁচটি দেশে আয়োজিত হ্যাকাথনের বিজয়ীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সুযোগ পাবে। চূড়ান্ত বিজয়ীরা সেকেন্ড মিউজের ওয়াশিংটন ডিসির প্রধান কার্যালয় থেকে সনদ ও পুরস্কার পাবে। বাংলাদেশে স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেনের আয়োজক সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরাম। ৩৫টি প্রকল্প নিয়ে চূড়ান্ত হ্যাকাথন অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রাঙ্গণে ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ ইনোভেশন ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা আরিফুল হাসান অপু বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় স্পেস অ্যাপস নেক্সট জেন। এর আগে বিশ্বের পাঁচটি দেশ আন্তর্জাতিক এই হ্যাকাথনের আয়োজন করেছে। চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ আবার অনুষ্ঠিত হবে এই হ্যাকাথন।
Source:ProthomAlo
Follow us on: Facebook
Labels:
Information & Technology
Location:
Bangladesh
কানাডার কুইবেকে মসজিদে গুলিতে নিহত ৫
কানাডার কুইবেক সিটি মসজিদে মাগরিবের নামাজের সময় বন্দুকধারীর গুলিতে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার মসজিদ কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছে। এর আগে এক প্রত্যক্ষদর্শী বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, কিউবেক সিটি ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের ভেতরে থাকা অন্তত ৪০ জন মানুষের ওপর তিনজন বন্দুকধারী নির্বিচারে গুলি ছোড়ে। গুলির ঘটনার পর মসজিদ এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করে পুলিশ। তবে তারা ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। মসজিদে গুলির পর ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স। ছবি: রয়টার্সমসজিদের সভাপতি মোহাম্মদ ইয়ানগুই বলেন, ‘এখানে কেন এমন হামলা হলো? এটা বর্বরতা।’ গুলিতে কত লোক আহত হয়েছেন, তা জানা যায়নি। আহত ব্যক্তিদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
...........................................Source:Prothom Alo
- Buy High Quality Sunglasses from Eye Style
- Shop on Digital Hut
Labels:
Information & Technology,
new
Location:
Dhaka, Bangladesh
Thursday, September 17, 2015
ঘড়ির কারণে গ্রেপ্তার আহমেদ মোহাম্মেদকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ১৪ বছর বয়সী এক মুসলিম কিশোরকে স্কুলে বোমা আনার ভুল অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর তাকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। আহমেদ মোহাম্মেদ নামের ঐ কিশোর একটি ঘড়ি তৈরি করে স্কুলে আনলে শিক্ষকরা সেটি দেখে বোমা বলে সন্দেহ করেন। এক টুইটারবার্তায় মি. ওবামা আহমেদের ঘড়িটিকে ‘দারুণ’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার মতো আরো বেশি শিশু-কিশোরদের বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠা উচিত। টেক্সাস সময় সোমবার সকালে নিজের বানানো একটি ডিজিটাল ঘড়ি নিয়ে স্কুলে উপস্থিত হয় আহমেদ মোহাম্মেদ। তবে তার শিক্ষকরা ঐ যন্ত্রটি দেখার পর উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে এবং সেটিকে একটি বোমা মনে করে পুলিশে খবর দেয়। এর কিছুক্ষণ পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাতে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশ তাকে স্কুল থেকে নিয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংগঠন বলছে, আহমেদ মোহাম্মদ মুসলিম হবার কারণেই তার সাথে এমন আচরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে ছেড়ে দেয়া হলেও তার গ্রেপ্তারের কড়া সমালোচনা চলছে এবং অনেকেই তার প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন। এরই মধ্যে তাকে হোয়াইট হাউজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। "আমি এক শিক্ষককে দেখানোর জন্য আমার ঘড়িটি নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরে পুলিশ আসে এবং আমাকে গ্রেপ্তার করে। ওরা আমাকে বলেছিল যে, আমি নাকি একটি নকল বোমা বানানোর অপরাধ করেছি।” এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন আহমেদ মোহাম্মেদ। আহমেদের বাবা মোহাম্মেদ এলহাসান এসেছেন সুদান থেকে। তিনি অভিযোগ করেন, নামের কারণেই তার ছেলেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে #IstandwithAhmed লিখে নাসার বিজ্ঞানীসহ অনেকেই আহমেদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। প্রেসিডেন্ট ওবামা ছাড়াও ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও তাকে ফেসবুক সদর দপ্তরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
Monday, September 7, 2015
ভারতে বৃহত্তম হোটেল নেটওয়ার্ক বানাচ্ছেন একুশ বছরের রিতেশ
এক রাতে দিল্লীর একটি ভবনে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকতে ব্যর্থ হয় আঠারো বছরের রিতেশ আগরওয়াল। ছোট্ট এই অঘটনটি তার জীবনই বদলে দেয়। ওই রাতে একটি হোটেলে থাকতে বাধ্য হয় সে এবং এমন অভিজ্ঞতার মুখে পড়ে যে অভিজ্ঞতা এর আগেও ভারতের বিভিন্ন হোটেলে থাকতে গিয়ে হয়েছে তার। 'অভ্যর্থনাকারীকে দেখি ঘুমিয়ে আছে। রুমের সকেটগুলো কাজ করছে না। তোষক ছেড়া। বাথরুমের কল থেকে পানি পড়ছে। আর সবশেষে দেখলাম তারা ক্রেডিট কার্ড নিচ্ছে না। আমি ভাবলাম, এগুলোতে যদি আমার সমস্যা হয় তাহলে অন্যদেরও সমস্যা হচ্ছে। ভারতে কেন অল্প খরচে ভাল হোটেল পাওয়া যাবে না'? বলছিলেন মি. আগরওয়াল। চার বছর পর মি. আগরওয়ালের বয়স যখন একুশ তখন তিনি অয়ো রুমস নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী। এটি ৩৫টি শহরজুড়ে এক হাজার হোটেলের একটি নেটওয়ার্ক যার মাসিক আয় ৩৫ লাখ ডলার। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত: ছোটছোট নামগোত্রহীন হোটেলগুলোর সেবামান উন্নত করে, কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং অয়ো'র নাম ব্যবহার করতে দেয় এবং বদলে অয়ো রুমস ওই হোটেলটির আয়ের অংশীদার হয়। ব্যবসার অংশ হিসেবে মি. আগরওয়াল একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন যেটি ব্যবহার করে অতিথিরা হোটেলের কামরা বরাদ্দ নিতে পারবেন, হোটেলে যাবার পথ নির্দেশনা পাবেন এবং হোটেলে পৌঁছে রুম সার্ভিসের মতো সেবাগুলোও এই অ্যাপের মাধ্যমে পাবেন। রিতেশ আগরওয়ালের এখন ইচ্ছে বিদেশেও তার এই সেবা পৌঁছে দেয়া।
Thursday, September 3, 2015
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়েছে
বর্তমানে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ কোটি ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। বিগত ১২ মাসে দেশে মোবাইল ফোন গ্রাহকের সংখ্যাও ১ কোটির অধিক বেড়েছে। মঙ্গলবার বিটিআরসি প্রকাশিত জুলাই মাস পর্যন্ত মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট গ্রাহক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিটিআরসির প্রকাশিত পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৫ সালের জুলাই মাসের শেষ নাগাদ দেশে ইন্টারনেটের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৫ কোটি ৭ লক্ষ ৭ হাজার। গত বছর একই সময়ে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৯৩ লক্ষ। সেই হিসেবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিটিআরসির হিসাব অনুসারে, চলতি বছরের জুলাই শেষ নাগাদ দেশে মোবাইল ফোনের গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৮৭ লক্ষ। একই সময়ে গত বছর ছিল ১১ কোটি ৬৮ লক্ষ। এর মধ্যে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের গ্রাহক ৫ কোটি ৩৯ লক্ষ ও বাংলালিংকের ৩ কোটি ২৪ লক্ষ। অন্যদিকে, রবির ২ কোটি ৭৯ লক্ষ, এয়ারটেলের ৯০ লক্ষ, সিটিসেলের ১১ লক্ষ ৬১ হাজার ও রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকের গ্রাহক ৪২ লক্ষ ২১ হাজার।
---------------------------primenewsbd
Monday, August 31, 2015
ফেসবুক কর্মীদের বেতন ভাতা
বিশ্বে সবথেকে বেশি ভিজিট করা হয়, এমন ওয়েবসাইটগুলোর ফেসবুক অন্যতম। আর বিশাল এই ওয়েবসাইট সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে বিপুল কর্মী বাহিনীর। শুধু একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবেই নয়, কর্মক্ষেত্র হিসেবেও তরুণদের কাছে অন্যতম পছন্দের গন্তব্য ফেসবুক। আর এর অন্যতম কারণ হলো এখানকার উচ্চ বেতন ভাতা। এখন স্বভাবতই মনে প্রশ্ন জাগতে পারে ফেসবুকে কর্মরতদের বেতন ভাতা কেমন। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ক্যারিয়ার বিষয়ক ওয়েবসাইট গ্লাসডোর থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ফেসুকের কর্মীদের বেতন ভাতার একটি তালিকা তৈরি করেছে বিজনেস ইনসাইডার। চলুন তাহলে, দেখে নেওয়া যাক ফেসবুক কর্মীদের বেতন ভাতার পরিমাণ: ১. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার থ্রি: ১১৩,৮৩০ ডলার ২. অ্যাপ্লিকেশন অপারেশনস ইঞ্জিনিয়ার: ১১৪,১৯৭ ডলার ৩. পার্টনার ইঞ্জিনিয়ার: ১১৬,৮৬২ ডলার ৪. ইউজার ইন্টারফেস ইঞ্জিনিয়ার: ১২০,৯৮৭ ডলার ৫. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার: ১২৫,৫১৫ ডলার ফেসবুক ৬. প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজার: ১২৬,১৪২ ডলার ৭. নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার: ১৩২,১২৯ ডলার ৮. প্রোডাক্ট ডিজাইনার: ১৩৩,৮১০ ডলার ৯. প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ার: ১৩৪,৭৭৫ ডলার ১০. ফ্রন্ট-এন্ড ইঞ্জিনিয়ার: ১৩৬,১৩১ ডলার ফেসবুক ১১. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ফোর: ১৩৬,৮৩৩ ডলার ১২. রিসার্চ সায়েন্টিস্ট: ১৩৭,১৩৪ ডলার ১৩. ডেটা সায়েন্টিস্ট: ১৩৭,১৮৪ ডলার ১৪. ডেটাবেজ ইঞ্জিনিয়ার: ১৪১,৬৩৫ ডলার ১৫. টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম ম্যানেজার: ১৪৬,২৮২ ডলার ফেসবুক ১৬. প্রোডাক্ট ম্যানেজার: ১৪৭,৪৬৯ ডলার ১৭. সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ফাইভ: ১৫৭,০৮০ ডলার ১৮. সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার: ১৬০,৬৩৮ ডলার ১৯. ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার: ১৬৬,৫৬১ ডলার
-------------------------------------------bhorerkagoj
Four-year-old Bangladeshi trekker dies
Sadman Casper, affectionately known in the trekker community as Chhoto Bhoot (little ghost), breathed his last yesterday at the Intensive Care Unit of Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU). A post operative complication known as aspiration pneumonia caused his death, said BSMMU Director Brig Gen (retd) Abdul Majid Bhuiyan. After doctors in his hometown Chittagong failed to diagnose his medical condition, four-and-a-half-year-old Casper, son of trekker Tofazzal Hossain Apu, was brought to the BSMMU with nonstop rectal bleeding in the wee hours of Wednesday. The BSMMU director said doctors at the children's ward had decided to conduct a surgery to find out the cause of the bleeding immediately after the kid was brought here. As the bleeding receded on Wednesday, doctors decided to wait until it resumed on Friday, he said. Paediatric surgeon Prof Shafiqul Hoque, who led the surgery, said, “The reason behind the bleeding was an ulcer in one of the trickiest parts of the intestine. Its removal took hours.” He added the operation was successful, but the postoperative complication that caused Casper's death began more than five hours later. ADVERTISEMENT The complication known as aspiration pneumonia, he explained, is a situation in which liquid secreted in the intestines reaches the respiratory tract causing breathing difficulty and lung infection. Children and older people usually suffer from this complication after surgeries. According to medical textbooks, Prof Shafiq said, about two percent of the children are born with some forms of ulcer in the intestines. “We conduct around 10 such surgeries every year.” Muhammad Sadman Casper, quite popular among the trekker community for his love for expeditions at this tender age, wanted to be like his adventurous father Apu, a trekker since 2002 and a member of trekking group “Living with Forest”. One of his favourite activities was pitching his small tent. Ropes and various trekking equipment were his toys, his father earlier told this newspaper. He already has under his belt the experience of camping with his father in the hills of Sitakunda and Kaptai. Such a fun-loving kid suddenly fell ill on August 19. With complaints of rectal bleeding, he was admitted to Royal Hospital, a private clinic in the port city. As numerous tests failed to find the reason behind the bleeding, doctors suggested moving him to the capital. The family and members of “Living with Forest” opened a Facebook page Casper-er Jonno Cholun Kichhu Kori (Let's Do Something for Casper). Through the social media platform and other networks, they were trying to contact doctors and specialists at home and abroad, who might come up with an explanation and cure for the child's ailment.
-----------------------------------------------------------------------The Dailystar
Sunday, August 30, 2015
বাঁশের ফ্রেমে বিশ্বের বৃহত্তম ঘড়ি!
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা। রাজশাহী নগরীর উপকণ্ঠ মতিহার থানার কাপাশিয়া গ্রামের সরদারপাড়ার একটি আমবাগান ঘিরে কয়েক শ মানুষের জটলা। তারা সবাই গভীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে কয়েকটি নম্বরের দিকে। দিনের বেলায় কিছুটা দূর থেকে দেখে মনে হতে পারে নম্বরগুলো কোনো সাংকেতিক চিহ্ন। কিন্তু আদৌ তা নয়। বিশাল বিশাল ডিজিটের এ নম্বরগুলো হলো ডিজিটাল ঘড়ির সময় নির্ণায়ক নম্বর, যা দেখে যে কারো চোখ ছানাবড়া হয়ে যাবে। বাঁশের ফ্রেম দিয়ে ৭৮৫ বর্গফুটের বিশাল আকারের বিস্ময়কর এমনই একটি ঘড়ি তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন রাজশাহীর কাপাশিয়া এলাকার মিঠু, যাঁর পুরো নাম আকুল হোসেন মিঠু। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা। তাঁর বাবা মনতাজ সরদার কাটাখালী পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর। প্রায় দুই বছর ধরে পরিশ্রম শেষে গত শুক্রবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে ঘড়িটির উদ্বোধন করার পর থেকেই সেটি এক নজর দেখার জন্য দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েই চলেছে। গতকাল শনিবার সকাল থেকেই ঘড়িটি দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করতে থাকে কাপাশিয়ার সরদারপাড়া গ্রামের মিঠুদের আমবাগানে। ঘড়ির উদ্ভাবক মিঠুর দাবি, অন্য কোনো উদ্দেশ্যে নয়, স্রেফ তাক লাগাতেই তাঁর এই উদ্ভাবন। মিঠুর দাবি, এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঘড়ি। এর নির্মাণকাজে মিঠুকে সহায়তা করেছেন স্থানীয় আরো অন্তত ২৫ জন যুবক। এর বাইরে এলাকাবাসীও যে যার মতো আর্থিকভাবে অথবা উপকরণ দিয়ে সহায়তা করেছে মিঠুকে। আর প্রায় দুই বছরের কর্মযজ্ঞ শেষে গত শুক্রবার যখন ঘড়িটি আলো ছড়াতে থাকে, তখন নিমিষেই সব কষ্ট উবে যায় মিঠুদের; এমন অনুভূতির কথা জানালেন তিনি। মিঠু কালের কণ্ঠকে বলেন, 'সারা বিশ্বের কোথাও এভাবে স্থানীয় প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি এত বড় ডিজিটাল ঘড়ি নাই। জার্মানির বার্লিনের জাদুঘরে একটি ডিজিটাল ঘড়ি আছে অনেক বড় আকারের। তবে সেটিও সর্বোচ্চ সাড়ে ৩০০ ফুটের ওপরে নয়। তবে জার্মানির ওই ঘড়িটি তৈরি করা হয়েছে এলসিডি মনিটর দিয়ে। আর মিঠুদের ৭৮৫ বর্গফুটের ঘড়িটি তৈরি হয়েছে সেভেন ফিগমেন্ট ডিসপ্লে লাইট দিয়ে। ফলে এটিই বিশ্বের সর্ববৃহৎ ডিজেটাল ঘড়ি। এর বাইরে গিনেস বুকেও এত বড় আকারের ডিজিটাল ঘড়ির কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাননি মিঠুরা। ঘড়ির উদ্ভাবকদের দাবি, রাতের বেলায় ফাঁকা স্থান হলে অন্তত ১০ কিলোমিটার দূর থেকেও এই ঘড়িতে সময় দেখা যাবে। তবে জায়গার অভাবে মিঠুর ঘড়িটি আমবাগানের ভেতরে টানানোর কারণে সেটি খুব বেশি দূর থেকে দেখা যাচ্ছে না। বাগানের গাছপালা বাধা হয়ে দাঁড়ানোর কারণে এর আলো দূরে ছড়াতে পারছে না। বাগানের কাছাকাছি গেলেই কেবল এটি দেখা যাচ্ছে। উদ্ভাবকদের দেওয়া তথ্য মতে, এই ঘড়ির সংখ্যার উচ্চতা ১৭ দশমিক ৫ ফুট আর প্রস্থ ৪৪ দশমিক ৯ ফুট। বাড়ির বিদ্যুতের লাইন থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে সফটওয়্যারের সাহায্যে চালিত এই বিশাল ঘড়ি তৈরি হয়েছে ৪৮টি রড বাল্ব, স্টিলের বডি আর বাঁশের ফ্রেম দিয়ে; যেটি তৈরি করতে মিঠুদের খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ টাকা। ঘড়ি উদ্ভাবনের প্রধান উদ্যোক্তা আকুল হোসেন মিঠুকে কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় তাঁরা ঘড়িটি নির্মাণ করেছেন। সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে গ্রাম-গঞ্জে এমন প্রতিভার যেন মূল্যায়ন করা হয় সেই লক্ষ্যেই ঘড়িটি নির্মাণ করা। এর জন্য কেউ দিয়েছে বাঁশ, কেউ বিদ্যুতের তার, কেউ বাল্বসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র। আবার যারা কিছুই দিতে পারেনি, তারা দিয়েছে শ্রম। ফলে সবার ঐকান্তিক আর পরিশ্রমের ফসল হিসেবেই এই ঘড়ি তৈরি হয়েছে। মিঠু আরো জানান, তাঁর বাবা মনতাজ সরদারের স্বপ্ন ছিল, ছেলে আকুল হোসেন মিঠু বড় ইঞ্জিনিয়ার হবেন। কিন্তু মিঠু তা হতে পারেননি। রাজশাহী কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স পড়েই থেমে যেতে হয়েছে তাঁকে। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। অনেক দিন আগে থেকেই ইলেকট্রনিক সামগ্রীর কাজ করতে করতে অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন মিঠু। সেই সঙ্গে বছর তিনেক আগে রাজশাহী থ্রি ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড থেকে ১৫ দিনের মাইক্রোকন্ট্রোলার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন মিঠু। সেই প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে মিঠু স্থানীয় প্রযুক্তিতে ডিজিটাল ঘড়ি তৈরির কাজে হাত দেন। এ ছাড়া বিভিন্ন বইপত্র ঘেঁটে ও ইন্টারনেট থেকে সাহায্য নিয়ে বছর দুয়েক আগে হাত দেন ডিজিটাল ঘড়ি নির্মাণকাজে। এলাকার আরো কয়েকজন যুবক ও স্থানীয়দের নিয়ে শুরু করেন সেই কাজ। সেই থেকে এলাকাবাসীর সার্বিক সহযোগিতায় ঘড়িটির নির্মাণকাজ শেষ করেন মিঠু। এরপর সেই ঘড়ি শুক্রবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনও করেন তাঁরা। গতকাল বিকেলে ঘড়িটি দেখতে আসেন দুর্গাপুরের কলেজছাত্র সাব্বির রহমান। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এভাবে বাঁশের সাহায্যে স্থানীয় প্রযুক্তিতে তো বড় ডিজিটাল ঘড়ি তৈরির খবর কখনো শুনিনি। তাই দেখার জন্য চলে এসেছি।' এদিকে গতকাল সন্ধ্যার আগে আগেই ঘড়িটি এক নজর দেখার জন্য অন্তত হাজার দেড়েক লোকের সমাগম হয় মিঠুদের আমবাগানে। ঘড়ি দেখতে আসা এসব মানুষের মাঝেও আনন্দের ঢেউ লক্ষ করা যায়।
-------------------------------------------------------------------------------------------Kalerkantho
Wednesday, August 26, 2015
Silicon Valley vs Motor City: regions compete to test self-driving cars
Silicon Valley thinks it has the answer to everything. No wonder, then, that it also has the answer to the future of transportation. “I don’t think there’s any better place to test self-driving cars than California,” says Randy Iwasaki. “You’ve got a rainforest in the north, the lowest and highest points in the continental US, heavily congested urban roadways and that low, empty highway running through Death Valley.” Documents confirm Apple is building self-driving car Read more But Iwasaki would say that. He’s the executive director of the Contra Costa Transportation Authority, owner of GoMentum Station. This 2,100-acre disused military base in Concord, near San Francisco, is already home to a fleet of experimental self-driving Hondas, and it is where Apple may also be considering testing intelligent vehicles. Two and a half thousand miles away, Jim Sayer of the University of Michigan’s Mobility Transformation Center (MTC) disagrees. He sees his brand new 32-acre fake town, called Mcity, along with regional connected vehicle projects, as the future of self-driving car testing. “A unique combination of a purpose-built test environment and real-world deployments sets the university apart from other organizations … doing similar work,” he says. A report in June by Lux Research estimates that self-driving cars will represent a $87bn market by 2030. Car makers and technology companies intent on reaping that bounty will have to develop, test and demonstrate new vehicles in controlled environments before letting them loose on public roads. And that means a high-tech windfall for locations that can accurately replicate the chaos of real streets without putting actual pedestrians or packed school buses at risk. Mcity, a contender to become a proving ground for self-driving cars. Facebook Twitter Pinterest Mcity is a contender to become a proving ground for self-driving cars. Photograph: Austin Thomason/Michigan Mobility Transformation Center Mcity, which opened in July, has a bewildering variety of road surfaces, intersections, roundabouts and urban infrastructure packed on to its modest campus, even including buildings that can be moved. Mcity will be wired for the latest wireless vehicle-to-vehicle (V2V) and vehicle-to-infrastructure (V2I) technologies to allow city planners to dynamically adjust traffic flow and cars to “see” each other around corners. Advertisement Iwasaki, however, touts GoMentum Station’s vintage charm as a benefit. “At our site, the railroad tracks are actually in the ground. There are real tunnels where you’re going to lose your GPS signal,” he says. “If you’re building a brand new facility, are you going to be able to mimic the faded road striping that occurs in Seattle or in Iowa?” Similarly, both sites see their climates as an advantage. Michigan experiences the full range of climatic conditions that cars will meet on real roads, from blizzards to heat waves. But California enjoys mild, sunny weather that enables companies to test year-round rather than having to break out snow shovels every day during the winter. Both facilities claim to have a broad range of interested parties, with a distinct regional bias. Mcity, near Detroit, boasts investments from, among others, Ford, General Motors, Delphi and Toyota. GoMentum Station, with Silicon Valley on its doorstep, has had interest from Apple, Google and Tesla Motors, as well as the local R&D divisions of Mercedes-Benz, Volkswagen and Nissan. US markets down at closing bell after midday rally as China woes continue – as it happened The People’s Bank of China has cut borrowing costs and allowed banks to lend more, sending shares soaring in Europe and the US Read more Ultimately, though, even the thousands of acres available for testing at GoMentum Station might not provide enough elbow room for rivals intent on winning the race to develop a commercial self-driving car. As an Apple engineer wrote tactfully to GoMentum Station executives in May: “We would … like to get an understanding of timing and availability for the space, and how we would need to coordinate around other parties who would be using the space.” There will soon be other places to test self-driving cars: another fake town in rural Florida and dedicated roads in northern Virginia, for instance. But perhaps the best solution for secretive car makers with the deepest pockets would be to copy Google and simply buy their own model community. In 2014, Google leased 60 acres of an old air force base in Castle, California. There, engineers ran such unorthodox safety tests as throwing sheets of paper or beach balls at prototypes, or having someone suddenly jump out of a canvas bag in the middle of the road. Even the most serious robot test driver, it seems, needs to know what fun looks like, too.
----------------------------------------------------------------------------------Source-The Guardian
থাইল্যান্ডে আইসিটির সম্প্রসারণে বেসিসের বিটুবি বৈঠক
থাইল্যান্ডের বাজারে বাংলাদেশের সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর সেবার সম্প্রসারণে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বেসিসের সদস্যভুক্ত ১২টি কোম্পানি অংশ নেয়। এছাড়া থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও মায়ানমারের বেশ কয়েকটি আইটি কোম্পানিও এ বৈঠকে অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে দেন। প্রতিনিধি দলে আরো ছিলেন বেসিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্ঠা ও অ্যাসোসিওর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ এইচ কাফি, সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, নির্বাহী পরিচালক সামি আহমেদ প্রমুখ। বিটুবি বৈঠকের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল স্থানীয় সায়েন্স পার্ক, সফটওয়্যার পার্ক ও আইবিএমের ইনোভেশন সেন্টার পরিদর্শন করেন। সেখানে অবস্থিত প্রায় ২০টি কোম্পানির সঙ্গেও প্রতিনিধিদল বৈঠক করেন। তারা বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার আইসিটি ব্যবসায়ের সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আলোচনা করেন। বৈঠক সম্পর্কে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে বিদেশে বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং ও বৈঠক জরুরি। সেই লক্ষ্য নিয়ে অ্যাসোসিও এবং থাইল্যান্ড সরকার আয়োজিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করে। আমরা পারস্পরিক সম্পর্ক ও ব্যবসায়িক উন্নয়নে নানা আলোচনা করেছি। সেখানকার সায়েন্স ও সফটওয়্যার পার্কে বাংলাদেশি কোম্পানিকে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা প্রদানের প্রস্তাবনা দিয়েছি। বিপরীতে আমাদের কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কে তাদেরকেও সমান সুযোগ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান বলেন, ইতোমধ্যেই থাইল্যান্ডের ও মায়ানমারের কয়েকটি কোম্পানি বাংলাদেশি বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। শিগগিরই বাংলাদেশি আরো কিছু কোম্পানির সাথে বিটুবি বৈঠকে অংশগ্রহণের জন্য তারা বাংলাদেশে আসবে।
ফেসবুকে আসছে ব্রেকিং নিউজ
ব্রেকিং নিউজ এবার ফেসবুকেই। বিজনেস ইনসাইডার সূত্রে জানা গেছে, একটি নতুন অ্যাপ বাজারে আনছে ফেসবুক। এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছে অ্যাপটির নির্মাণ প্রক্রিয়া। তবে অ্যাপটিতে নোটিফিকেশন পাওয়ার জন্য পছন্দের সংবাদমাধ্যম নির্দিষ্ট করে দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। শুধু সংবাদমাধ্যম নয়, সংবাদের মূল বিষয়বস্তুও আগে থেকেই নির্দিষ্ট করে দেওয়া যাবে। ওই বিষয়ে যখনই কোনও ‘ব্রেকিং নিউজ’ আসবে, সর্বোচ্চ একশো’ অক্ষরের পুশ নোটিফিকেশন চলে যাবে ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনে। নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রকাশনা সংস্থা ফেসবুকের সঙ্গে এই প্রকল্পে অংশ নেবে বলে জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার। তবে এই প্রসঙ্গে কোনও মন্তব্য করতে চাননি ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি আইওএস আর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের জন্য ‘ব্রেকিং নিউজ ট্যাব’ নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে ফেসবুকের প্রাক্তন শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান টুইটারও। বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখনও পরীক্ষামূলক ‘আলফা’ পর্যায়ে আছে অ্যাপটি। এটি আদৌ সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে কি না, হলে এর নাম কী হবে সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি মার্কিন সাইটটি।
----------------------------------------------------------------------------------ঢাকাটাইমস
Tuesday, August 25, 2015
পোল্যান্ডের পথে বাংলাদেশের রোবট
মহাশূন্যে অভিযানে নভোচারীর সঙ্গী হয়ে যাবে রোবট। নাম তার ‘মার্স রোভার’। এ রোবটের বৈশিষ্ট্য হতে হবে অনন্য। এটি হবে বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই। বিশেষ ধরনের এই রোবটগুলোর নকশা তৈরির রোমাঞ্চকর কাজটা করছেন বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মার্স রোভারের নকশা সংগ্রহের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজন করা হয় ‘রোভার চ্যালেঞ্জ’ প্রতিযোগিতা। এসবের মধ্যে সবচেয়ে বড় আয়োজন ‘ইউরোপীয় রোভার চ্যালেঞ্জ (ইআরসি)’। আগামী ৫ ও ৬ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো পোল্যান্ডে হবে এ প্রতিযোগিতা। বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের ৩৪টি দল এ প্রতিযোগিতায় লড়বে। এতে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশি রোবট নির্মাতাদের দুটি দল। প্রতিযোগী দলগুলো সেখানে মঙ্গল গ্রহের আদলে তৈরি কৃত্রিম পরিবেশে রোবট চালাবে, কাজ দেখাবে। বাংলাদেশ থেকে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে গাজীপুরের ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ‘আইইউটি মার্স রোভার’ দল এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ‘বুয়েট ইন্টারপ্লানেটারস’ দল। যা থাকবে প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগিতার বিষয়টি এবং প্রতিযোগিতা দুটিই ভিন্ন রকমের। মঙ্গল গ্রহের আবহে একটি কৃত্রিম গ্রহ থাকবে। সেখানকার সবকিছুই থাকবে মঙ্গলপৃষ্ঠের মতো। এবড়োখেবড়ো ভূমি, উঁচু-নিচু পথ—এসবই পাড়ি দেবে রোভার রোবট। প্রতিযোগিতার স্থান থেকে ৫০০ মিটার দূরত্বে থাকবে একটি স্টেশন (পৃথিবী) থাকবে। রোভার রোবট মঙ্গল গ্রহে (তৈরি করা) নামবে, চারদিকে ঘুরবে, মঙ্গলপৃষ্ঠের মাটি সংগ্রহ করবে। সেখানের মাটি পর্যবেক্ষণ করে পৃথিবীতে সংকেত ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠাবে। প্রতিযোগীরা তাঁদের নির্মিত রোবট নিয়ে এমনই প্রতিযোগিতায় নামবেন। রোবটগুলোয় থাকবে টেলিমেটরি সুবিধা। এগুলো হবে স্বনিয়ন্ত্রিত। সঙ্গে থাকবে চারপাশের পরিবেশ দেখার ক্যামেরা, মাটি খোঁড়া ও নমুনা সংগ্রহের সুযোগ, তাপমাত্রা পরিমাপ, তাৎক্ষণিক মাটি পরীক্ষা ও তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা। আইইউটি মার্স রোভার আইইউটির মার্স রোভার রোবটসেপ্টেম্বরের ১ তারিখে পোল্যান্ড যাবেন আইইউটি মার্স রোভার দলের সদস্যরা। এখন তাঁরা মার্স রোভারকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য পরীক্ষা করে দেখছেন। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু ঠিক আছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিচ্ছেন এ দলের সদস্যরা। কিছু কাজের হালনাগাদ করছেন। রোভার চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার জন্য এ দলের সদস্যরা গত বছরের ডিসেম্বর মাস থেকেই কাজ শুরু করেছেন। এরপর কয়েকটি ধাপে অনলাইনে রোবটের বিস্তারিত উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় নিবন্ধিত হয়েছেন। দলের সদস্য জায়েদ আহমেদ বলেন, ‘বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করেই আমরা রোবটটা বানিয়েছি। এটি একেবারে বিশ্বমানের না হলেও প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মতো।’ এ দলের অন্য সদস্যরা হলেন আরাফ ফারায়েজ, টি এম মনিরুজ্জামান, মাহমুদুল আলম, আবু সাইদ, ফাহরিয়াল আলম, মো. ইনতিসার নূর, মির্জা মুনতাসির, নাজমুস সাকিব, রায়হানুল ইসলাম, মিনহাজ-উস-সালেকীন, মো. উসামা ইসলাম ও আসিফ ইকবাল। বুয়েট ইন্টারপ্লানেটারস ইন্টারপ্লানেটারস দলের সদস্যরা ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়বেন। ইন্টারপ্লানেটারস রোবটের নির্মাণকাজ শুরু করে মাস তিনেক আগে। তাড়াহুড়ো থাকায় দলের পুরো কাজ এখনো শেষ হয়নি, কিছু কারিগরি কাজ বাকি আছে। পোল্যান্ড রওনা হওয়ার আগেই সব কাজ শেষ হবে, এমনই প্রত্যাশা দলের সদস্যদের। অনলাইনে কয়েকটি ধাপে রোবটের বিস্তারিত উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় নিবন্ধিত হয়েছেন তাঁরা। বুয়েট ইন্টারপ্লানেটারস দলের সদস্য আবুল-আল আরবি বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হবই, এমন না! অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারছি, এটাই বড় পাওয়া।’ এ দলের অন্য সদস্যরা হলেন এস এম শায়াক ইবনে ফারুকী, ফজলে এলাহী খান, নওয়াব মো. আমিনুল হক, খালেদ বিন মঈনউদ্দিন, মেহেদী হাসান, মুহাইমিন রহমান, আসিফ রেজা চৌধুরী, আশিক-ই-রাসুল, শওমিক ইসলাম, শাহ জামান অনু, তানভীর আলম, কুমার দীপায়ন তূর্য, নাবিদ মুস্তফা, রেজা রশিদ, আবু আশরাফ ও সাখাওয়াত হোসেন।
-------------------------------------------------------------------------------------------prothom-alo
Monday, August 24, 2015
গুগলে যুক্ত হচ্ছে বাংলা খবর
সারা বিশ্বে প্রতিনিয়তই বেড়ে চলেছে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা। আর এসকল ব্যবহারকারীর একটি বড় অংশই অনলাইনে খবর পড়ার ক্ষেত্রে গুগল নিউজ ব্যবহার করে থাকে। আর তাই বিভিন্ন ভাষাভাষী এসকল ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে গুগল নিউজে যুক্ত হচ্ছে বাংলা ভাষাসহ আরও সাতটি ভাষা। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে এসকল ভাষায় খবর পড়া যাবে বলে গুগল নিউজ ব্লগে জানানো হয়েছে। নতুন যুক্ত হওয়া ভাষাগুলোর মধ্যে আছে বাহাসা ইন্দোনেশিয়া, বুলগেরিয়ান, লাটভিয়ান, লিথুয়ানিয়ান, রোমানিয়ান এবং থাই। নতুন এই ভাষাগুলো যুক্ত করার ফলে আরও প্রায় ২৬ কোটি মানুষ এখানে নিজের ভাষায় খবর পড়তে সক্ষম হবে। বর্তমানে ৪৫ দেশের ২৮টি ভাষা সমর্থন করে গুগল নিউজ। শীঘ্রই আরও নতুন নতুন ভাষা যুক্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে গুগল।
Friday, August 21, 2015
গুগলের চেয়েও কার্যকর সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেছে ১৬ বছরের বালক!
ভারতীয় বংশোদ্ভূত ১৬ বছর বয়সী এক কানাডীয় বালক আনমল টাকরেল এমন একটি সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করেছে যা গুগলের চেয়েও ৪৭ শতাংশ বেশি কার্যকর বলে সে দাবি করেছে। দশম গ্রেড পার করে আসা বালক টাকরেলের এই সার্চ ইঞ্জিন গুগলের বিজ্ঞান মেলায় নির্বাচিত হয়েছে। সে জানায়, এই সার্চ ইঞ্জিনের ডিজাইন করতে তার সময় লেগেছে প্রায় দুই মাস আর এর কোড লিখতে সময় লেগেছে ৬০ ঘণ্টার মত। সে জানায়, "আমি পারসোনালাইজড সার্চ সেবায় কিছু করার চিন্তা করছিলাম। কিন্তু যখন আমার মনে হলো যে গুগল তো ইতোমধ্যেই কাজটি করে ফেলেছে, তখনই ভাবলাম এটাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা যাক।" টাকরেল দাবি করেছে, তার এই সার্চ ইঞ্জিন একজন ব্যবহারকারীর বিভিন্ন আগ্রহের দিকে খেয়াল রেখেই তার সামনে ফলাফল হাজির করে। আর এজন্য এতে শক্তিশালী অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়েছে বলেও সে জানায়। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সায়েন্সে পড়তে আগ্রহী টাকরেল জানায়, সে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি নিউজ অ্যাগ্রিগেটর তৈরি করতে চায়। তবে বর্তমানে সে টাকোক্যাট কম্পিউটার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
টাইমস অফ ইন্ডিয়া অবলম্বনে
Thursday, August 20, 2015
সাইবার অপরাধ দমনে বিটিআরসির নতুন সংস্থা
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ সাইবার অপরাধের ওপর নজরদারি জোরদার, সংঘটিত ঘটনা তদন্ত ও দোষীদের শনাক্তকরণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও দফতরের সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা গঠন করছে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোশ্যাল মিডিয়াসহ সাইবার অপরাধের ওপর নজরদারি জোরদার, সংঘটিত ঘটনা তদন্ত ও দোষীদের শনাক্ত করে এ সংক্রান্ত অপরাধ দমনে দেশের সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও দপ্তরের সমন্বয়ে একটি কেন্দ্রীয় সংস্থা গঠনের প্রস্তাব প্রস্তুত করেছে বিটিআরসি। প্রস্তাবটি শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বিটিআরসি`র পাশাপাশি সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কিত বিভিন্ন দফতর এবং নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নিজস্ব অধিক্ষেত্র ও ক্ষমতা অনুসারে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কাজ করে থাকে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাইবার অপরাধ দমন ও সাইবার নিরাপত্তা বাড়াতে বিটিআরসি আইন প্রয়োগকারী প্রতিষ্ঠান, গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে আরো নিবিড় যোগাযোগ ও সমন্বয় করে কাজ করার সার্বিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ফেসবুক ও টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বিটিআরসি নিয়ন্ত্রণ করে না। এছাড়া ওই সব মাধ্যমের সঙ্গে বিটিআরসি বা অন্য কোনো সংস্থার কোনো ধরনের সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি না থাকলেও তাদের নিজস্ব নিয়মকানুন অনুসারে জনস্বার্থে প্রয়োজনমতো বিটিআরসি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
Source:Jagonews24
Google Introduces Router
Google has made a Wi-Fi router that aims to provide better Internet connections that make it easier for people to use its digital services and see more of its online advertising. Preorders for the $200 wireless router, called OnHub, could be made beginning on Tuesday at Google’s online store, as well as Amazon.com and Walmart.com. The cylindrical device will go on sale in stores in the United States and Canada in late August or early September. The search giant said its wireless router would be sleeker, more reliable, more secure and easier to use. And its software will be regularly updated, according to Google. The company said most people would be able to set up OnHub in three minutes or less. Google collaborated with the networking device maker TP-Link to build OnHub.
Source: The New York Times
Source: The New York Times
Hindi
गूगल यह आसान लोगों को अपने डिजिटल सेवाओं का उपयोग करें और अपने ऑनलाइन विज्ञापन के और अधिक देखने के लिए करते हैं कि बेहतर इंटरनेट कनेक्शन प्रदान करना है कि एक वाई-फाई राउटर बना दिया है। OnHub बुलाया $ 200 वायरलेस रूटर के लिए Preorders, Amazon.com और Walmart.com, साथ ही गूगल की ऑनलाइन स्टोर पर मंगलवार को शुरुआत बनाया जा सकता है। बेलनाकार डिवाइस अगस्त के अंत या सितंबर के शुरू में संयुक्त राज्य अमेरिका और कनाडा में दुकानों में बिक्री पर जाना होगा। खोज विशाल अपने वायरलेस रूटर, sleeker और अधिक विश्वसनीय, अधिक सुरक्षित और प्रयोग करने में आसान हो जाएगी। और अपने सॉफ्टवेयर नियमित रूप से गूगल के अनुसार, अद्यतन किया जाएगा। कंपनी ज्यादातर लोगों को तीन मिनट या उससे कम में OnHub स्थापित करने में सक्षम हो जाएगा। गूगल OnHub का निर्माण करने के लिए नेटवर्किंग उपकरण निर्माता टी.पी.-लिंक के साथ सहयोग किया है।
তরুণদের জন্য হচ্ছে আর্ন অ্যান্ড পে প্রকল্প
আইসিটি খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের সহায়তা করতে দেশের ৬৪ জেলায় আর্ন অ্যান্ড পে প্রকল্প চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বুধবার মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনের এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে ৬৪ জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভিডিও কনফারেন্সে নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম উদ্বোধন কালে তিনি এ কথা বলেন। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহ-সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, এখনি ডটকমের সত্বাধিকারী শামীম আহসান, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালকবৃন্দ, এফবিসিসিআইয়ের অধিভুক্ত জেলা চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জুনাইদ আহমেদ জানান, আর্ন অ্যান্ড পে প্রকল্পের আওতায় ১০ লাখ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। এছাড়াও যেসব উদ্যোক্তার মেধা আছে কিন্তু পুঁজি নেই তাদের সিঙ্গেল ডিজিটে ব্যাংক ঋণ সুবিধাসহ কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্প হলে ২০২১ সাল্যে আইসিটি খাত থেকে মূল জিডিপিতে অংশগ্রহণ হবে ১ শতাংশ। একই সঙ্গে আইসিটি খাতে রফতানি আয় এক বিলিয়ন ডলারে উন্নিত করা সম্ভব হবে। দেশের আইসিটি খাত এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে জুনাইদ আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালের পূর্বে যেখানে আইসিটি খাতে রফতানি আয় ছিল ২০ মিলিয়ন ডলার । বর্তমানে এ আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩শ মিলিয়ন ডলার। আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, যথাযত তথ্য প্রদান ও যোগাযোগের অভাবে জেলা চেম্বার গুলোর উন্নায়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে ৬৪ জেলাকে একই ছাতার নিচে আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে জেলা চেম্বর গুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও তাদের উদ্যোগগুলো এফবিসিসিইকে জানাতে পারবে। তাদের সময় ও টাকা ব্যয় করে ঢাকা আসতে হবে না। তিনি বলেন, এ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে। ফলে নিজেদের নতুন নতুন আইডিয়া শেয়ার করতে পারবে। এতে দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। পাশাপাশি রফতানি আয় দ্বিগুণ হবে। অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট তারানা হালিম বলেন, দেশের সব ডাকঘর গুলোকে ই-সেন্ট্রলাইজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভিডিও কনফােেন্সর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে হাই স্পিড ইন্টানেট প্রয়োজন তা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ৬৪ জেলায় পৌছে দেওয়া হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)

















