Showing posts with label Current Affairs. Show all posts
Showing posts with label Current Affairs. Show all posts

Monday, March 6, 2017

কী আছে ট্রাম্পের গাড়িতে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই মানুষের। সময়-সময় বিস্ফোরক মন্তব্যের কারণেই সবার আগ্রহের জায়গায় থাকেন বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশের এই প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর বিলাসবহুল ক্যাডিলাক গাড়িটি নিয়েও মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। গাড়িটি অতীতের অন্য যেকোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের ব্যবহার করা গাড়ির চেয়ে অনেক বেশি উন্নত ও সুরক্ষিত। ট্রাম্পের এই নতুন গাড়িকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত গাড়ি। কী কী আছে ‘বিস্ট’ নামের ওই গাড়িটিতে, তা জেনে নেওয়া যাক— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন গাড়িকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত গাড়ি। ‘বিস্ট’ নামের ওই গাড়িটির ওজন আট টন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন গাড়িকে বলা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত গাড়ি। ‘বিস্ট’ নামের ওই গাড়িটির ওজন আট টন। ছবি: এএফপি বিশ্বখ্যাত জেনারেল মোটরস কোম্পানি ট্রাম্পের ব্যবহারের জন্য গাড়িটি তৈরি করেছে। আট টন ওজনের বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত এই গাড়িটির মূল্য ১২ লাখ মার্কিন ডলার। গাড়িটির দরজার কাচ বোয়িং বিমানের মতো উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি। যেকোনো ধরনের বোমা এবং রাসায়নিক অস্ত্রের হামলা ঠেকাতে সক্ষম এই গাড়িটি। আট ইঞ্চি পুরু দরজার এই গাড়িটিতে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও সুরক্ষার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটি রাস্তার পাশে বিস্ফোরিত বোমা হামলা থেকে প্রেসিডেন্টকে সুরক্ষা দিতে সক্ষম।
এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্পের গাড়িতে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, এর মাধ্যমে রাসায়নিক হামলা মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে ক্যাডিলাক। অস্ত্রে সজ্জিত ক্যাডিলাকে একটি শটগান, টিয়ারগ্যাস এবং জরুরি প্রয়োজনের জন্য প্রেসিডেন্টের গ্রুপের রক্তের বোতল থাকবে গাড়িতে। গাড়ির সামনে দুজন, মাঝখানে তিনজন এবং পেছনে দুজন বসতে পারবেন। পেছনের যে আসনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বসবেন, তার সঙ্গে উপগ্রহ টেলিফোন সংযোগ থাকবে। এর মাধ্যমে ট্রাম্প সার্বক্ষণিক দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পেন্টাগনের সংযোগ থাকবে। ট্রাম্প বসবেন পেছনের এই আসনে। ট্রাম্প বসবেন পেছনের এই আসনে। গাড়িটি শক্তিশালী স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম ও সিরামিকস দিয়ে তৈরি। গাড়ির নিচে স্টিলের একটি প্লেট রয়েছে।
এর দরজার কাচ বোয়িং-৭৫৭ জেট বিমানের মতো উন্নত প্রযুক্তিতে তৈরি। যেকোনো ধরনের বোমা ও রাসায়নিক অস্ত্রের হামলা ঠেকাতে সক্ষম এটি। পলিকার্বনেটযুক্ত জানালার কাচ পাঁচ স্তরবিশিষ্ট, যা বাইরে থেকে করা গুলি সহজেই প্রতিরোধ করতে পারবে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কোনো ব্যক্তি এই গাড়ির চালাবেন। তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি বুলেটপ্রুফ গাড়িটির দরজা-জানালার কাচ নিচে নামাতে পারবেন। বন্দুক রাখার জায়গাটি বোমা নিরোধক স্টিলের একটি প্লেট দিয়ে তৈরির বিশেষ ব্যবস্থাও রয়েছে গাড়িটিতে। গাড়ির চাকার টায়ারের নিচে বিশেষ স্টিলের লেয়ার সংযুক্ত করা হয়েছে। কোনো কারণে টায়ার ফেটে গেলেও গাড়ি থাকবে নিরাপদ। গাড়ি নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্যাসবোর্ড রয়েছে—যা জিপিএস পদ্ধতির মাধ্যমে কেন্দ্রের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে পারবে। রাতে দেখার জন্য আছে ক্যামেরাও। গাড়িটির সামনে ক্যামেরা রয়েছে। গাড়ির পেছনের কাচ খোলা যাবে না।
গাড়ির পেছনের কাচ খোলা যাবে না।
প্রেসিডেন্টকে হস্তান্তরের আগে হোয়াইট হাউস এই গাড়িটি চূড়ান্তভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। গাড়িটি নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান জেনারেল মোটরস আশা করেছিল, ২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানেই গাড়িটি জনসম্মুখে আনা হবে। কিন্তু এ মাসের শেষের দিকে এটি জনসম্মুখে আনবে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটি ১২টি গাড়ি বানিয়েছ। বিশ্বের অন্য দেশে ভ্রমণে গেলে এই গাড়িটি ব্যবহার করবেন ট্রাম্প। সূত্র: ডেইলি মেইল ইকোনমিক টাইমস।

Thursday, February 16, 2017

রাখাইনে সেনা অভিযান বন্ধের ঘোষণা মিয়ানমারের


রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমার। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এমনটাই জানিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। গত বছরের ৯ অক্টোবর রাখাইন সীমান্তে একাধিক পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা হয়। হামলায় পুলিশের ৯ সদস্যসহ ১৪ জন নিহত হন। হামলার পর রাখাইনে সহিংস অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ধরপাকড়, হত্যা, নির্যাতন, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, রাখাইনে দমন-পীড়নের মুখে প্রায় ৭০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংস দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে মিয়ানমার।.....Source:ProthomAlo

Saturday, February 4, 2017

মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তোলা সেই শিশুটি এখন যাচ্ছে স্কুলেও!

ধুলা-ময়লা মাখা নগ্ন শীরের আপাদমস্তক চরম অপুষ্টির চিহ্ন। হাড্ডিসার সেই শরীর যে তখনও বেঁচে, বুকের খাঁচার ধুকপুকানি তা জানান দিচ্ছিল। আর কয়েক ঘণ্টা এভাবে পড়ে থাকলে, হয়তো মারাই যেত শিশুটি।একবছর আগের শিশুটিকে উদ্ধারের সেই ছবি ইন্টারনেটে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। ছবিতে দেখা যায়, এক শেতাঙ্গ নারী অপার স্নেহে শিশুটিকে পানি খাওয়াচ্ছেন। একহাতে মুখে ধরা মিনারেল ওয়াটারের বোতল, অন্য হাতে খাবারের প্যাকেট। এক বছর আবারও ইন্টারনেটে পোস্ট হয়েছে সেই একই ধরনের ছবি। মুখে ধরা পানির বোতল। কিন্তু, তার মধ্যেই আমূল পরিবর্তন। এক বছর আগের নাইজেরিয়ার সেই শিশুটিই যে সে, না-বললে, শুধু দেখে চেনার উপায় নেই। অপুষ্টির আর ছিটেফোঁটাও চিহ্ন নেই শরীরে। অন্য পাঁচটা সুস্থ-স্বাভাবিক শিশুর মতো এখন সে স্কুলেও যাচ্ছে। আফ্রিকায় কর্মরত যে ডেনিশ এনজিও কর্মী শিশুটিকে উদ্ধার করেছিলেন, সেই আনিয়া রংগ্রেন লভেনই ছবিটি পোস্ট করেছেন। বাচ্চাটির নাম রাখা হয়েছে হোপ।........Source:Kaler Kantha

Friday, February 3, 2017

জিমেইল চলবে না জিমেইল পুরোনো ব্রাউজারে

পুরোনো এক্সপি ও ভিস্তা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ও ক্রোম ব্রাউজারে জিমেইল সমর্থন করবে না। বুধবার গুগল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। এক ব্লগ পোস্টে গুগল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বছরের শেষ নাগাদ পুরোনো ক্রোম সংস্করণ থেকে জিমেইলের সমর্থন সরিয়ে নেওয়া হবে। এ ছাড়া যাঁরা এখনো এক্সপি ও ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন তাঁদের ওপরও প্রভাব পড়বে। ক্রোম ৫৩ সংস্করণ বা এর আগের সংস্করণ থেকে জিমেইল ব্যবহার করতে গেলে তা জিমেইলের এইচটিএমএল সংস্করণে নিয়ে যাবে। গুগল কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ক্রোমের ৫৫ সংস্করণটিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা প্যাঁচ হালনাগাদ করা হয়েছে। ৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে পুরোনো সংস্করণের ক্রোম ব্যবহারকারীরা তাঁদের জিমেইলের ওপরে একটি ব্যানার দেখতে পাবেন। এ ছাড়া মাইক্রোসফট যেহেতু এক্সপি ও ভিস্তা থেকে সমর্থন সরিয়ে নিয়েছে তাই এ দুটি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীদের আরও নিরাপদ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে গুগল। গুগল কর্তৃপক্ষ বলছে, জিমেইলের নিরাপত্তার কারণে তাঁদের এ সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। 
-----------------------তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

নতুন ওষুধ উদ্ভাবন দুই বাংলাদেশির-হেপাটাইটিস–বি চিকিৎসায়


জাপানপ্রবাসী দু’জন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী হেপাটাইটিস-বি চিকিৎসায় নতুন ওষুধ উদ্ভাবন করেছেন। বাংলাদেশে ওষুধটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হলেও অাইনি জটিলতায় এটি এখনও আনুষ্ঠিানিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। তবে কার্যকারিতা প্রমাণের পর কিউবায় ওষুধটির ব্যবহার শুরু হয়েছে। ‘নাসভ্যাক’ নামের এই ওষুধটি উদ্ভাবন করেছেন জাপানের তোশিবা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল সায়েন্সেস বিভাগের প্রিন্সিপাল ইনভেস্টিগেটর ড. শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর। শুক্রবার দৈনিক প্রথম অালোতে ‘হেপাটাইটিস–বি চিকিৎসায় নতুন ওষুধ’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশে ওষুধটির পরীক্ষামূলক ব্যবহারের দায়িত্বে ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হেমাটোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মামুন আল মাহতাব।
তিনি বলেন, পরীক্ষায় দেখা গেছে ‘নাসভ্যাক’ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখে। মামুন আল মাহতাব বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের সফলতার পর ২০১২ সালে একই হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তৃতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হয়। এই পর্যায়ে দীর্ঘদিন হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসে আক্রান্ত ১৫১ জন রোগীকে নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়। এই রোগের চিকিৎসায় বাজারে প্রচলিত অন্য ওষুধের সঙ্গে এর কার্যকারিতা তুলনা করা হয়। তাতে দেখা যায়, নতুন ওষুধ বেশি কার্যকর। এই ওষুধ বেশি দিন ধরে কাজে দেয়। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। শেখ মোহাম্মদ ফজলে আকবর ও মামুন আল মাহতাব জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে

নতুন এই ওষুধ নিয়ে বেশ কয়েকটি দেশের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ওষুধ কোম্পানি আগ্রহ দেখিয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, চীন, তাইওয়ান, হংকং, ফিলিপাইন, ভারত ও থাইল্যান্ডে মাল্টি-সেন্টার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে বা হচ্ছে। একটি ফরাসি ওষুধ কোম্পানি ইউরোপের বাজারের জন্য এই ওষুধের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ওষুধটি

বাংলাদেশে ব্যবহার প্রসঙ্গে ফজলে আকবর বলেন, ‘নতুন ওষুধ নিয়ে দুবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সঙ্গে সভা করেছেন। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিদ্যমান আইনে এই ওষুধ বাংলাদেশে ব্যবহারের সুযোগ নেই।’ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সালাউদ্দীন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসএফডিএ বা যুক্তরাজ্যের এমএইচআরএ বা যুক্তরাজ্যের বিএনএফের নিবন্ধন পাওয়া ওষুধই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া যেসব ওষুধ যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া—এই সাতটি দেশের যেকোনো একটিতে ব্যবহারের অনুমতি পায়, সেসব ওষুধকেও বাংলাদেশে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। নতুন ওষুধটির এই ধরনের অনুমোদন নেই।.................................Source:Priyo.com

সমকামী বিয়েকে অবৈধ ঘোষণার পরিকল্পনা ট্রাম্পের!

সমকামী বিয়েকে অবৈধ ঘোষণার পরিকল্পনা ট্রাম্পের! নির্বাহী আদেশের খসড়া ফাঁস বিয়ে-বহির্ভূত সম্পর্ক এবং সমকামী বিয়েকে অবৈধ ঘোষণার পরিকল্পনা ট্রাম্পের! ট্রাম্পবিয়েবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক এবং সমকামী বিয়েকে অবৈধ ঘোষণা করে নির্বাহী আদেশ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাঁস হওয়া এক নথির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্ট খবরটি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য নেশন-এ সর্বপ্রথম ওই সম্ভাব্য নির্বাহী আদেশের খসড়াটি ফাঁস হয়। অবশ্য, আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প যদি এ আদেশ দেন তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর (এস্টাবলিমমেন্ট ক্লজ) লঙ্ঘন হবে। ফাঁস হওয়া নথিকে উদ্ধৃত করে ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রচলিত কিছু ধর্মীয় বিশ্বাসের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নির্বাহী আদেশ জারির পরিকল্পনা করছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আওতায় বিয়েবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক এবং সমকামী বিয়ের বিরুদ্ধে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়িত করিবেন তিনি। ‘ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন’ হিসেবে দাবি করা ওই নির্বাহী আদেশের খসড়ায় প্রচলিত রক্ষণশীল খ্রিস্টান ও ক্যাথলিক ধর্মীয় বিশ্বাসকে প্রতিফলিত করা হচ্ছে।

যদি আদেশটিতে স্বাক্ষর করা হয়, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্তদের বিরুদ্ধে সরকার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে। বৈষম্য থেকে বাঁচতে যে এলজিবিটি বা তৃতীয় লিঙ্গের মানুষরা লড়াই করে আসছেন তারাও এ আদেশের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান সমকামী বিয়ে ও বিয়েবহির্ভূত যৌন সম্পর্কের বিরুদ্ধে কাজ করে তাদেরকে করমুক্ত সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে ওই আদেশে।

এছাড়া অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্টের আওতায় কর্মীদেরকে কোম্পানির পক্ষ থেকে জন্মনিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত যে স্বাস্থ্যবীমা সুবিধা দেওয়া হয় তার বিরোধিতাকারীদের নিষ্কৃতি দেওয়ার জন্য ওই নির্বাহী আদেশে বলা আছে। অবশ্য এ ব্যাপারে ইন্ডিপেনডেন্টের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র শন স্পাইসারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তার দাবি, এ ধরনের আদেশ জারি হতেও পারে নাও হতে পারে। তিনি বলেন, ‘এখন এ নিয়ে আমাদের কিছুই বলার নেই’। আইন বিশেষজ্ঞরা দ্য নেশনকে বলেন, বলছেন, যদি এ আদেশ দেন তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর (এস্টাবলিমমেন্ট ক্লজ) লঙ্ঘন হবে। রাষ্ট্র ও চার্চকে বিচ্ছিন্ন করে সংবিধানের ওস্টাবলিশমেন্ট ক্লজ দেওয়া হয়েছিল।

Thursday, February 2, 2017

ছাত্রলীগ নেতার লাথি শিক্ষার্থীর অস্ত্রোপচারের জায়গায় !



নিয়মিত কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জসীম উদদীন হলের এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে ছাত্রলীগ। তাঁরা ওই শিক্ষার্থীর পেটে লাথি মারে, যেখানে সম্প্রতি অস্ত্রোপচার হয়েছে। এ ছাড়া ছাত্র ইউনিয়নের এক নেতাকে এবং জগন্নাথ হলে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থীকেও মারধর করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। গতকাল বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার এসব ঘটনা ঘটে। এর আগে বেশ কয়েকটি ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় দীর্ঘদিন মোটামুটি শান্ত থাকার পর হঠাৎ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগ। আজ বৃহস্পতিবার চারুকলায় ক্যানটিনের সামনে ছাত্র ইউনিয়নের এক নেতাকে মারধর করেছে

ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী। আহত রাজীব কুমার দাশ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমাজকল্যাণ সম্পাদক। ছাত্র ইউনিয়নের অভিযোগ, গত ২৬ জানুয়ারি সুন্দরবনের রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে জাতীয় কমিটির হরতালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের একপর্যায়ে রাজীব চারুকলা অনুষদের ভেতরে আশ্রয় নিতে চান। ওই সময় তাঁকে চারুকলায় ঢুকতে বাধা দেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

এ সময় তাঁদের সঙ্গে রাজীব ও কয়েকজন বিক্ষোভকারীর বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে আজকের মারধরের ঘটনা। হামলার শিকার রাজীব সাংবাদিকদের বলেন, ‘চারুকলা অনুষদের ক্যানটিনে চা খেতে গেলে চারুকলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক রাইসুল ইসলাম আমাকে বের হয়ে যেতে বলে। কারণ জানতে চাইলে ছাত্রলীগের আফি আজাদের নেতৃত্বে নাজমুল, সুজন, রাইসুলসহ ৮-১০ জন নেতা-কর্মী আমার ওপর হামলা করে। চারুকলার গেটের সামনে তাঁরা সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনে আমার জড়িত থাকার কথা বলে মারধর করেন।’

ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তুহিন কান্তি দাস অভিযোগ করেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই ছাত্রলীগ আগের চেয়ে বেশি অসহিষ্ণু হয়ে উঠেছে। ধর্মঘট পালনের দিনও তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন জায়গায় প্রতিনিয়ত দখলদারিত্বের চেষ্টা করে যাচ্ছে ছাত্রলীগ।’ জসীম উদ্দীন হলে মারধরের শিকার শিক্ষার্থীর নাম মো. রিফাত ইসলাম। তিনি গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। প্রথম বর্ষে পড়া ওইা শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, রাত নয়টার দিকে তাঁকে ছাত্রলীগের ‘বড় ভাইয়েরা’ ভর্তির পে-ইন-স্লিপ নিয়ে হলের ২১৫ নম্বর কক্ষে যেতে বলেন। পে-ইন-স্লিপ নিতে নিজের কক্ষে এলে তাঁর একাধিক সহপাঠী তাঁকে কর্মসূচিতে অনিয়মিত বলে গালিগালাজ করে।

এমন চলতে থাকলে হল থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মুখে ঘুষি মারে। ভয় পেয়ে রিফাত ইসলাম হল থেকে বেড়িয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হলে ফিরলে তাঁকে আবার ২১৫ নম্বর কক্ষে ‘গেস্টরুম’ করতে ডেকে নেওয়া হয়। ‘গেস্টরুম’ ছাত্রলীগের একটি কর্মসূচি যেখানে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন নিয়মকানুন শেখানো হয়। রিফাত অভিযোগ করেন, ‘গেস্টরুমে গিয়ে দেখি কয়েকজন আমার নামে বড় ভাইদের কাছে বিচার দিয়েছেন। আমি বলি, আমার পেটে কয়েক দিন আগে অস্ত্রোপচার হয়েছে। কর্মসূচিতে গেলে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হয়। তখন বড় ভাইদের নির্দেশে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের রেজাউল করিম, বাংলা বিভাগের শাকিল আহম্মেদসহ কয়েকজন মিলে আমাকে মারধর করেন। একজন আমার পেটের ক্ষত স্থানের সেলাইয়ে লাথি দেয়। ঘুষি দিয়ে দাঁত ও মুখ দিয়ে রক্ত বের করে ফেলে।’ গেস্টরুমে ওই সময় সমাজকল্যাণ বিভাগের আবুল হোসেন, ভাষাবিজ্ঞানের শাওন আহমেদ, তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের সোহাগ আহমেদ, দর্শন বিভাগের তুহিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এঁরা সবাই হলের সাধারণ সম্পাদক শাহেদ খানের অনুসারী বলে জানা গেছে। যোগাযোগ করা হলে শাহেদ খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি হলে ছিলাম না। ঘটনা শোনার পর আমি রিফাতকে ডেকে বিষয়টির মীমাংসা করে দিয়েছি। এটা ওদের নিজেদের মধ্যে ঘটনা। রিফাতকে অন্য কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হবে। আর যারা এমনটা ঘটিয়েছে, তাদের ডেকে সাবধান করে দিয়েছি যেন ভবিষ্যতে আর এমনটা না হয়।’

 একই সময়ে জগন্নাথ হলে পূজা উদযাপন করতে গিয়ে আহত হন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের পাঁচ শিক্ষার্থী। আহতদের দাবি, তাঁরা লাইন ধরে ঘুরছিলেন আর নাচানাচি করছিলেন। একপর্যায়ে হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক উৎপল বিশ্বাসের অনুসারীরা তাঁদের বাধা দেন ও উল্টো দিকে ফিরে যেতে বলেন। ছাত্রলীগকর্মীদের কথা না শুনে তাঁরা পাশ দিয়ে যেতে চাইলে তাঁদের মারধর করা হয়। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আবিদ আল হাসান বলেন, ‘সবগুলো ঘটনাই আমি শুনেছি। জসীম উদ্দীন হলের ছেলেটার ব্যাপারে কী করা যায়, সেটা নিয়ে সবাইকে নিয়ে রাতে বসব। ঘটনা বিস্তারিত জেনে জড়িতদের বিরুদ্ধে শিগগির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর জগন্নাথ হলের ঘটনার বিষয়ে হলের সাধারণ সম্পাদক উৎপল বিশ্বাসসহ সাতজনকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তালিকা পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন। আর আজ রাতের মধ্যে চারুকলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।’ এদিকে খোদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেনের বিরুদ্ধে স্ট্যাম্প দিয়ে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার সকালে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে এক পক্ষের কর্মীদের মারধর করেন। এ

তে প্রথম বর্ষের অন্তত চারজন আহত হন। জিয়া হল ছাত্রলীগের একটি পক্ষের অভিযোগ, গভীর রাতে হলে গান শোনা নিয়ে পাশাপাশি দুটি গণ রুমের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় মোতাহার হোসেন তাঁর বিরোধী পক্ষের গণ রুমে ঢুকে এলোপাতাড়ি শিক্ষার্থীদের পেটান। জানতে চাইলে মোতাহার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা একাডেমিতে আসবেন। এর আগেই সকালে জিয়া হলের গণ রুমে দুই পক্ষ নিজেরা ঝামেলা করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি রড দিয়ে ধাওয়া দিয়েছি। সবাইকে নিজের কক্ষে ফিরে যেতে বাধ্য করেছি। কিন্তু কাউকে মারধর করিনি।’
.................................................................................................Collected 

Wednesday, February 1, 2017

নিজ বাড়িতে খাদিজা -চার মাস পর


সিলেটের কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার বাড়ি ফিরেছেন। আজ বুধবার বেলা আড়াইটায় উড়োজাহাজে করে সিলেটের এম এ জি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। পরে সেখান থেকে সিলেট সদর উপজেলার আউশা গ্রামে নিজ বাড়িতে যান। খাদিজার সঙ্গে তাঁর বড় ভাই শাহীন আহমদ ছিলেন। বিমানবন্দরে তাঁর বাবা মাসুক মিয়াসহ পরিবারের সদস্যরা ছিলেন। গত বছরের ৩ অক্টোবর বিকেলে এমসি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে বিএ (পাস) পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় খাদিজাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন বদরুল।

ঘটনার পরপরই জনতা ধাওয়া করে বদরুলকে ধরে পুলিশে দেন। সংকটাপন্ন অবস্থায় খাদিজাকে প্রথমে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর খাদিজার অবস্থার উন্নতি হলে গত ২৮ নভেম্বর তাঁকে সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আজ তাঁকে সিলেট নিয়ে আসা হয়। বিমানবন্দরে খাদিজার ভাই শাহীন আহমদ সাংবাদিকদের জানান, এক সপ্তাহের জন্য তাঁকে সিলেট নিয়ে আসা হয়েছে। পরে আবারও চিকিৎসার জন্য সাভারের সিআরপিতে নিয়ে যাওয়া হবে। খাদিজার ওপর হামলার ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলাটি সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে বিচারাধীন।

এ মামলার খাদিজার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৬ ফেব্রুয়ারি তারিখ ধার্য রয়েছে। এ ব্যাপারে সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে খাদিজার ভাই বলেন, খাদিজার আদালতে হাজির হওয়ার ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আদালত সূত্র জানায়, খাদিজার চাচা আবদুল কুদ্দুস বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বদরুলকে একমাত্র আসামি করে মামলা করেন। গত ৮ নভেম্বর আদালতে মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ১৫ নভেম্বর আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। ২৯ নভেম্বর আদালত বদরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়।...............................source:Prothom Alo