Wednesday, February 1, 2017


Private/Govt.Colleges


ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ রাসেল


টি-২০ ক্রিকেটে এক পরিচিত নাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে রাসেল। কিন্তু এ পেস বোলিং অলরাউন্ডারকে এক বছর দেখা যাবে না বাইশ গজে। টানা তিনটি ডোপ টেস্টে না থাকায় ক্রিকেট থেকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাকে। নিষিদ্ধ দ্রব্য সেবন করেছেন কিনা তা যাচাইয়ের জন্য আন্দ্রে রাসেলকে ডোপ টোস্ট দিতে বলেছিলো জ্যামাইকা অ্যান্টি-ডোপিং কমিশন। কিন্তু বারো মাসে টানা তিনটি পরীক্ষা দেননি রাসেল। এ কারণে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির নীতিমালা অনুযায়ী ক্যারিবিয়ান এ অলরাউন্ডারের নিষেধাজ্ঞা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটেও এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। রাসেলের ওপর এ নিষেধাজ্ঞার কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি বিপাকে পড়তে হবে ঘরোয়া টি-২০ লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকেও। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তান সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে খেলার কথা ছিলো রাসেলের। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সে নিয়মিত খেলে থাকেন তিনি। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সর্বশেষ আসরে তিনি খেলেছিলেন ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে। সম্প্রতি হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে এবারের বিগ ব্যাশ থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেছেন তিনি। ২০১৬ সালের মার্চে জ্যামাইকা অ্যান্টি-ডোপিং কমিশন আন্দ্রে রাসেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে। ২০১৫ সালের ১লা জানুয়ারি, ১লা জুলাই ও ২৫ শে জুলাই পরীক্ষা দেওয়ার তারিখ হলেও রাসেল একটিতেও ছিলেন না। তাকে এ ব্যাপারে জানানো হলেও টনক নড়েনি তার। প্রায় সব দেশের টি-২০ লিগেই দেখা মিলে আন্দ্রে রাসেলের। এখন পর্যন্ত ২৩২ টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন এ ক্যারিবিয়ান।
......................Source>BDCRICTEAM

Tuesday, January 31, 2017

রাজ্জাকের ৯০০ উইকেট


ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংসটাকে ডাবল সেঞ্চুরি বানাতে পারলেন না বিসিবি উত্তরাঞ্চলের ব্যাটসম্যান। ১৭৬ রান নিয়ে দিন শুরু করা নাঈম আউট হয়ে যান আর মাত্র ৯ রান যোগ করেই। নাঈম পারেননি, তবে তাঁকে বোল্ড করেই তিন সংস্করণের স্বীকৃত ক্রিকেট মিলিয়ে ৯০০ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের আবদুর রাজ্জাক। রাজ্জাক এর আগে কাল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৪৫০তম উইকেটটি পান তাইজুল ইসলামকে আউট করে। দুই মাইলফলকেই বাংলাদেশের প্রথম বোলার রাজ্জাক। সিলেটে তৃতীয় দিনেও শেষ হয়নি দুই দলের প্রথম ইনিংস। তবে বগুড়ায় তিন দিনের মধ্যেই জিতে গেছে ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল। ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলকে ৯ উইকেটে হারিয়েছে লিটন দাসদের দল। পূর্বাঞ্চলকে মাত্র ৫৬ রানের লক্ষ্য দিতে পারে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৯৮ রানে অলআউট মধ্যাঞ্চল। শুধু লিটনের উইকেট হারিয়ে ১৩.৪ ওভারেই লক্ষ্যটা পেরিয়ে যায় পূর্বাঞ্চল। প্রথম ইনিংসের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান এবার করেছেন মাত্র ৬ রান। তাঁর আগেই অবশ্য প্রথম শ্রেণিতে ৩ হাজার রানের মাইলফলক পেরিয়েছেন ৩৭তম ম্যাচ খেলা লিটন। সিলেটে নাঈম আউট হতেই ইনিংস ঘোষণা করে উত্তরাঞ্চল। ৯ উইকেট হারিয়ে দলটি তখন দাঁড়িয়ে ৪৯২ রানে। ৫ উইকেট নিয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার রাজ্জাক। কম যাচ্ছে না দক্ষিণাঞ্চলও। ৮০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই ২৯৪ রান তুলে ফেলেছে দলটি। সেঞ্চুরি পেয়ে গেছেন ওপেনার ফজলে রাব্বী। প্রথম শ্রেণিতে পঞ্চম সেঞ্চুরি করে ১২১ রানে অপরাজিত বরিশালের এই ব্যাটসম্যান। তাঁর ২১৩ বলের ইনিংসে চার ১৪টি, ছক্কা ২টি। শাহরিয়ার নাফীসের সঙ্গে রাব্বীরউদ্বোধনী জুটিতে আসে ৮০ রান। এরপর তুষার ইমরানকে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৮৪, চতুর্থ উইকেটে মোহাম্মদ মিঠুনকে নিয়ে ৫৫ ও অবিচ্ছিন্ন পঞ্চম উইকেটে মোসাদ্দেকেরসঙ্গে ৪৭ রান যোগ করেছেন ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ইনিংস থেকে ১২ রান পেছনে থাকা রাব্বী। ৩৮ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত আছেন মোসাদ্দেক।
সংক্ষিপ্ত স্কোর মধ্যাঞ্চল-পূর্বাঞ্চল,
বগুড়া মধ্যাঞ্চল: ২২৪ ও ৭৭.৫ ওভারে ১৯৮ (শামসুর ৫১, মার্শাল ৩৫, রকিবুল ৩০, তানভীর ২৭*; সাকলাইন ৩/৩৯, হাসান ৩/৪২, ইবাদত ২/৪০, জায়েদ ২/৪৮)। পূর্বাঞ্চল: ৩৬৭ ও ১৩.৪ ওভারে ৫৭/১ (জাকির ৩৩*, মারুফ ১৪*; শামসুর ১/১৬)।

ফল: পূর্বাঞ্চল ৯ উইকেটে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: লিটন দাস। উত্তরাঞ্চল-দক্ষিণাঞ্চল, সিলেট উত্তরাঞ্চল ১ম ইনিংস: ১৮৯.৩ ওভারে ৪৯২/৯ ডি. (নাঈম ১৮৫, জহুরুল ৬৫, সোহরাওয়ার্দী ৫৭, ফরহাদ হোসেন ৪৩, আরিফুল ৪৩, নাসির ৩৯; রাজ্জাক ৫/১৮৫, সোহাগ ২/১০৫)। দক্ষিণাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৮০ ওভারে ২৯৪/৪ (ফজলে রাব্বী ১২১*, তুষার ৪৭, শাহরিয়ার ৪২, মোসাদ্দেক ৩৪*, মিঠুন ৩০; তাইজুল ৩/৮১)।

মায়ের হাতে আঁকা বই দিয়ে স্কুলজীবন শুরু: সোলায়মান সুখন


আমাকে স্কুলে ভর্তি করলেও বইয়ের সংকট থাকায় মা নিজের হাতে এঁকে এঁকে তৈরি করেন প্রথম শ্রেণী শিক্ষার্থীর আমার বাংলা বই। মায়ের হাতে আঁকা বই নিয়ে স্কুলে গিয়ে বিপাকে পড়ে গেলাম। কারণ সহপাঠিরা ছাপার বই বাদ দিয়ে আমার মায়ের হাতে আঁকা বই নিয়েই বেশি ব্যস্ত ছিলো।’ সম্প্রতি প্রিয়.কমের সাথে আলাপকালে এভাবেই নিজের শিক্ষাজীবন শুরুর গল্প বলছিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব সোলায়মান সুখন। বয়স ৩৫ এর কোঠা পার হলেও চলনে বলনে কথাবার্তায় এখনো তরুণ সোলাইমান সুখন। ফেসবুকে নানা ধরনের অনুপ্রেরণামূলক স্ট্যাটাস, ছবি ও ভিডিওর পোষ্ট করার কারণে ইতিমধ্যেই তরুণদের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন তিনি। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি নিয়ম মেনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস, ছবি ও ভিডিও পোষ্ট করি। আমার পোষ্টে লাইক দিলে আমি হয়তো বিখ্যাত করছে কিন্তু যারা লাইক দিচ্ছেন তারা যদি আমার লেখাগুলো বা আমি কী বোঝাতে চেয়েছি তা বুঝে নেন, নিয়মগুলো মেনে চলেন তাহলে তারাও নিজেদের জীবন পরিবর্তন করে উন্নতি করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।’ শুধুমাত্র ভার্চুয়াল জগতে নয়, সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস ক্লাবগুলোর আমন্ত্রণে প্রেরণাদায়ী বক্তৃতা দিয়ে থাকেন সোলায়মান। নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে নিজের জীবনের প্রত্যক্ষ ঘটনাগুলো শেয়ার করেন তিনি। তরুণদের মাঝে অনুপ্রেরণা জোগান, তাদের এগিয়ে চলতে শক্ত ও সামর্থ্যবান হওয়ার প্রেরণা দিয়ে থাকেন সোলায়মান সুখন। পরিবার পুরোনাম খন্দকার মোহাম্মদ সোলায়মান। ডাক নাম সুখন। ১৯৮০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি যশোর সেনানিবাসে জন্মগ্রহণ করেন সোলায়মান। সাবেক সেনা সদস্য বাবা আব্দুল ওয়াদুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষিকা মা সামসুন নাহার খন্দকারের ৩ ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে তিনি মেঝো। বড় বোন সোহেলী পারভীন গৃহিণী, সেঝো ভাই খন্দকার রায়হান ডাইমেনসন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহকারি ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। আরেক বোন খন্দকার চামেলী পারভীন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি-বারিয়া সরকারি কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ছোট ভাই ওসমান ইমন বিজ্ঞাপন নির্মাতা। গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মকর্তা স্ত্রী সায়রা বেগম ও স্ট্যান্ডার্ড ওয়ানে পড়ুয়া মেয়ে নাজলা ওয়াফাকে নিয়েই সোলায়মান সুখনের পরিবার। শিক্ষাজীবন বাবার চাকরিসূত্রে কোথাও থিতু হতে পারেননি সোলায়মান। জালালাবাদ সেনা নিবাস উচ্চ বিদ্যালয়ে শুরু হয় তার শিক্ষা জীবন। ১৯৯৫ সালে মুসলিম মডার্ন একাডেমি থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ২০০০ সালে বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি থেকে কমিশন প্রাপ্ত হন ও ২০০৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।-----------------Source,,,,,,,,Priyo.com

Follow us on Facebook

২০০ হলো না নাঈমের



প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রানটা পেয়ে গিয়েছিলেন কালই। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) উত্তরাঞ্চলের হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের বিপক্ষে তাঁর অপরাজিত ১৭৬ রানের ইনিংস দ্বিশতকের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল নাঈম ইসলামকে। কিন্তু নাঈম পারেননি। পরেননি প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে প্রথম দ্বিশতকের কীর্তি গড়তে। বাঁ হাতি স্পিনার আবদুর রাজ্জাকের বলে বোল্ড হয়ে তাঁর স্বপ্নের ইতি ঘটল। আউট হওয়ার আগে দ্বিতীয় দিনের সংগ্রহের সঙ্গে যোগ করতে পেরেছেন মাত্র ৯ রান। ডাবল সেঞ্চুরিটি না পেলেও তাঁর ব্যাটে ভর করে রানের পাহাড় গড়েছে উত্তরাঞ্চল। ৯ উইকেটে ৪৯২ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে তারা। নাঈমের ১৮৫ রানের পাশাপাশি জহুরুল ইসলাম করেছেন ৬৫। পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠা সোহরাওয়ার্দী শুভর ব্যাট থেকে এসেছে ৫৭। ৪৩ করেছেন দুজন—ফরহাদ হোসেন ও আরিফুল হক। ৩৯ রানে রাজ্জাকের বলেই আউট হয়েছেন নাসির হোসেন। ৮ টেস্টের বেশি খেলা হয়নি নাঈমের। ৩২ গড়ে তাঁর রান ৪১৬। একটি করে সেঞ্চুরি ও একটি ফিফটি আছে তাঁর সাফল্যের তালিকায়। ২০১২ সালের নভেম্বরে খুলনায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছেন সর্বশেষ টেস্টটি। মজার ব্যাপার হচ্ছে ২০১২ সালের নভেম্বরেই, নির্দিষ্ট করে বললে একই সিরিজেই ঢাকায় ক্যারিয়ারের একমাত্র সেঞ্চুরিটি পেয়েছিলেন নাঈম। ১০৯ প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাঁর রান ৬ হাজার ৪শ ৪০ রান। সেঞ্চুরি আছে ১৮টি। ফিফটি ২৯টি। ৩৯.৫৮ গড়টাও কিন্তু বলে দিচ্ছে ডাবল সেঞ্চুরিটা তাঁর প্রাপ্যই ছিল। দুর্ভাগ্য নাঈমের।

Source------Prothom Alo