আইসিটি খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের সহায়তা করতে দেশের ৬৪ জেলায় আর্ন অ্যান্ড পে প্রকল্প চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বুধবার মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনের এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে ৬৪ জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির ভিডিও কনফারেন্সে নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম উদ্বোধন কালে তিনি এ কথা বলেন। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আব্দুল মাতলুব আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহ-সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, এখনি ডটকমের সত্বাধিকারী শামীম আহসান, এফবিসিসিআইয়ের পরিচালকবৃন্দ, এফবিসিসিআইয়ের অধিভুক্ত জেলা চেম্বার ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। জুনাইদ আহমেদ জানান, আর্ন অ্যান্ড পে প্রকল্পের আওতায় ১০ লাখ নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। এছাড়াও যেসব উদ্যোক্তার মেধা আছে কিন্তু পুঁজি নেই তাদের সিঙ্গেল ডিজিটে ব্যাংক ঋণ সুবিধাসহ কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, এ প্রকল্প হলে ২০২১ সাল্যে আইসিটি খাত থেকে মূল জিডিপিতে অংশগ্রহণ হবে ১ শতাংশ। একই সঙ্গে আইসিটি খাতে রফতানি আয় এক বিলিয়ন ডলারে উন্নিত করা সম্ভব হবে। দেশের আইসিটি খাত এগিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে জুনাইদ আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালের পূর্বে যেখানে আইসিটি খাতে রফতানি আয় ছিল ২০ মিলিয়ন ডলার । বর্তমানে এ আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩শ মিলিয়ন ডলার। আব্দুল মাতলুব আহমাদ বলেন, যথাযত তথ্য প্রদান ও যোগাযোগের অভাবে জেলা চেম্বার গুলোর উন্নায়ন বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে ৬৪ জেলাকে একই ছাতার নিচে আনা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে জেলা চেম্বর গুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও তাদের উদ্যোগগুলো এফবিসিসিইকে জানাতে পারবে। তাদের সময় ও টাকা ব্যয় করে ঢাকা আসতে হবে না। তিনি বলেন, এ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়বে। ফলে নিজেদের নতুন নতুন আইডিয়া শেয়ার করতে পারবে। এতে দেশে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে। পাশাপাশি রফতানি আয় দ্বিগুণ হবে। অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট তারানা হালিম বলেন, দেশের সব ডাকঘর গুলোকে ই-সেন্ট্রলাইজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ভিডিও কনফােেন্সর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে হাই স্পিড ইন্টানেট প্রয়োজন তা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে ৬৪ জেলায় পৌছে দেওয়া হবে।
Thursday, August 20, 2015
বুয়েট ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কিছু কথা
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)
, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় । প্রকৌশল,
স্থাপত্য, পরিকল্পনা ও বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় এটি । বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রকৌশল ও স্থাপত্যএর বিভিন্ন বিভাগ থেকে প্রায় ২৫০০০ জন স্নাতক দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তাদের মেধা ও পরিশ্রমের দ্বারা এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণ্ণ রেখেছেন। বর্তমানে প্রায় ৫৫০০ জন ছাত্র ছাত্রী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঁচটি অনুষদের অধীনে,
১৬ টি বিভাগে অধ্যয়নরত । প্রায় ৫০০ জন শিক্ষক শিক্ষিকাবৃন্দ এই সব বিভাগে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন। ভারত,নেপাল,ইরান,মালয়শিয়া,শ্রীলংকা,জর্ডান,প্যালেস্টাইন সহ অন্যান্য দেশের ছাত্র ছাত্রীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম হয়েছে বুয়েট।
ভর্তির যোগ্যতা (২০১৪-২০১৫ এর বিজ্ঞপ্তি অনুসারে )
প্রার্থীকে evsjv‡`‡ki †h †Kvb gva¨wgK I D”P gva¨wgK
wk¶v †evW©/gv`ªvmv wk¶v †evW©/KvwiMwi wk¶v
†evW© †_‡K †MÖW c×wZ‡Z 5.00 Gi †¯‹‡j Kgc‡¶ wRwcG 4.00
†c‡q gva¨wgK ¯‹zj
mvwU©wd‡KU/`vwLj/mggv‡bi cix¶vq cvk A_ev we‡`kx wk¶v
†evW© †_‡K mggv‡bi cix¶vq Kgc‡¶
mgZzj¨ †MÖW †c‡q cvk n‡Z n‡e|
cÖv_x©‡K evsjv‡`‡ki †h †Kvb gva¨wgK I D”P gva¨wgK wk¶v
†evW©/gv`ªvmv wk¶v †evW©/KvwiMwi wk¶v
†evW© †_‡K MwYZ, c`v_© weÁvb I imvqb welqmg~‡ni
cÖwZwU‡Z wRwc 5.00 †c‡q Ges Bs‡iRx I
evsjvq ‡gvU wRwc b~¨bZg 9.00 ‡c‡q D”P gva¨wgK/Avjxg/mggv‡bi
cix¶vq cvk A_ev we‡`kx
wk¶v †evW© †_‡K mggv‡bi cix¶vq Kgc‡¶ mgZzj¨ †MÖW †c‡q
cvk n‡Z n‡e| তবে ২০১৫-১৬ বর্ষের বিজ্ঞপ্তিতে এই যোগ্যতা শিথিল হতে পারে।
গ্রুপ ''ক'' ও
গ্রুপ ''খ'' এই দুইটি বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা
হয়ে থাকে
গ্রুপ ÒKÓ:
BwÄwbqvwis wefvMmg~n Ges bMi I AÂj cwiKíbv wefvM এ পদার্থ রসায়ন ও গণিতে মোট ৬০০ মার্কের থীওরি পরীক্ষা হয়ে থাকে ।
গ্রুপ ÒLÓ:
BwÄwbqvwis wefvMmg~n,bMi I AÂj cwiKíbv wefvM Ges ¯’vcZ¨
wefvM এ এই ৬০০ মার্কের সাথে থাকে অতিরিক্ত ৪০০ মার্কের মুক্তহস্ত অঙ্কন ।
ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে কিছু কথা
বুয়েটে মোট
১০০০ টি সিটের বিপরীতে প্রায় ৬০০০-৯০০০ জন প্রার্থী পরীক্ষা দিয়ে থাকে। ভর্তি পরীক্ষায় কোন MCQ প্রশ্ন না থাকায় নেগেটিভ মারকিং নিয়ে কোন দুশ্চিন্তা করার দরকার নেই । মোট ৬০০ মার্কের পরীক্ষায় নুন্যতম ৫০-৬০ % মার্ক পেলেই ভর্তির সম্ভাবনা থাকে । প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হল পাঠ্যবইয়ের সবগুলো বিষয় ভালোভাবে আয়ত্ত করা এবং এই সব বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট সব গাণিতিক সমস্যা গুলো ধারবাহিক ভাবে এবং সতর্কতার সাথে সমাধান করা। উচ্চমাধ্যমিক পরিক্ষায় দেখা যায় যে পাঠ্যবইয়ের কিছু কিছু টপিক ছাড়াই ভালো রেজাল্ট করা সম্ভব । কিন্তু এক্ষেত্রে কোন টপিক বাদ দেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সহজ কথায় পাঠ্যবইয়ের A-Z পড়তে হবে। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র একজন লেখকের পাঠ্যবই এর সাথে অন্যান্য লেখকের পাঠ্যবইয়ের সমস্যা সমাধান করলে বিষয়গুলোর উপর ধারণা অনেক পরিস্কার হবে। গণিত এর ক্ষেত্রে যেকোনো একজন লেখকের বই অনুসরণ
করলেও চলে। তবে রসায়ন ও পদার্থ বিজ্ঞানে অন্তত দুইজন লেখকের
বই অনুসরণ করা উচিত। পাঠ্যবইয়ের সব সমস্যাগুলোর সমাধান শুধু দেখে যাওয়ার চেয়ে হাতে কলমে সমাধান করা অধিক কার্যকর । এই সব বিষয়ে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হলে , বিগত বছরের প্রশ্ন সমাধানের দিকে আলোকপাত করতে পারো ।
কোচিং সেন্টারগুলো এক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন থিওরি এবং তার সাথে সংশ্লিষ্ট গাণিতিক সমস্যা গুলো কিভাবে সহজে ও কম সময়ে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে সাহায্য করতে পারে। তবে ভর্তি পরীক্ষায় বর্তমান পাঠ্যবইয়ের
সিলেবাসের বাইরে থেকে কোন ধরনের প্রশ্ন থাকবে না এই বিষয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারো ।
এই পরীক্ষার
সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং দিকটি হল তিনটি বিষয়ের সব থিওরি , ফর্মুলাগুলো একসাথে আয়ত্তে রাখা এবং পরীক্ষার সময় তার প্রয়োগ করা। সুতরাং কঠোর অধ্যবসায় ও নিয়মিত সমস্যা গুলোর প্র্যাকটিস এর
কোন বিকল্প নেই। উচ্চমাধ্যমিকের সবগুলো বিষেয়র অধিকাংশই তোমাদের
পড়া হয়ে গেছে। এখন দরকার এই বিষয় গুলোকে বিশদভাবে পড়া । ভর্তি পরীক্ষার আগে এখনো আরো ১ মাসেরও বেশি সময় আছে। এই কয়টা দিনের পরিশ্রমই তোমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে , নিশ্চিত করতে পারে তোমার উজ্জল ভবিষ্যত। সবার জন্য শুভকামনা ।
----------------------------------------------
প্রশান্ত দত্ত
কেমিকৌশল বিভাগ
বুয়েট(০৮)
এয়ারটেল গ্রাহকরা পাচ্ছেন যমুনা ব্যাংক শিওরক্যাশ এর মোবাইল ব্যাংকিং সেবা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল টেলিকম অপারেটর এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড সম্প্রতি যমুনা ব্যাংক লিমিটেডের সাথে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী এয়ারটেল গ্রাহকরা পাচ্ছেন যমুনা ব্যাংক “শিওরক্যাশ” এর মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। যমুনা ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি প্রগতি সিস্টেম লিমিটেডকে তাদের সফ্টওয়্যার পার্টনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং সেবাটির নাম হবে “যমুনা ব্যাংক শিওরক্যাশ”। এজন্য এয়ারটেল গ্রাহকদের তাদের মোবাইল থেকে এমকমার্স ইউএসএসডি কোড *৪০০# ডায়াল করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী এয়ারটেল গ্রাহকরা সহজেই ক্যাশ ইন, ক্যাশ অউট, মানি ট্রান্সফার, ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট, স্কুল ফি পেমেন্ট, মার্চেন্ট পেমেন্ট এবং মোবাইল টপ আপ সেবাগুলো পাবেন। এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড এর চিফ সার্ভিস অফিসার ও হেড অব এমকমার্স অ্যান্ড পি আর রুবাবা দৌলা , যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শফিকুল আলম ও প্রগতি সিস্টেম লিমিটেড এর সিইও ও এমডি ডক্টর শাহাদাত খান এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড এর চিফ সার্ভিস অফিসার ও হেড অব এম কমার্স অ্যান্ড পি আর রুবাবা দৌলা অনুষ্ঠানে বলেন “এয়ারটেল ‘সেবাই প্রথম’ স্লোগানে বিশ্বাসী। গ্রাহকদেরকে ইনোভেটিভ এবং এক্সাইটিং পণ্য দিতে আমরা অবিরাম কাজ করে যাচ্ছি। এয়ারটেল নেটওয়ার্কে যমুনা ব্যাংক এর শিওরক্যাশ এর অর্ন্তভুক্তি জনগনকে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ব্যবহারে আরো উৎসাহিত করবে। দেশের অর্থনীতিতে এই চুক্তি একটি অর্থবহ ফলাফল নিয়ে আসবে। ” অন্যান্যদের মধ্যে এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড এমকমার্স এর হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মীর সাদিক ফয়সাল, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কবি কল্পতরু বিশ্বাস ও যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এ.কে.এম সাইফুদ্দিন আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব আইসিটি ডিভিশন আহমেদ নেওয়াজ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব এডিসি ও কার্ডস, আদনান মাহমুদ আশরাফ উজ জামান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট ও টেকনিক্যাল হেড অব আইসিটি ডিভিশন এবিএম সাদী এবং প্রগতি সিস্টেম লিমিটেড এর হেড অব সেলস ও ডিস্ট্রিবিউশন এসএম সালাহউদ্দিন ও সিবিও মো: আবু তালেব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এয়ারটেল মোবাইল ব্যাংকিং সেবায় নতুন মাত্রা নিয়ে আসতে বদ্ধ পরিকর, যা গ্রাহকদেরকে আরো উন্নত সেবা এবং জীবনকে সহজ করতে সাহায্য করবে।
মোবাইলের জন্য গুগলের নয়া সার্চ ইঞ্জিন
এবার মোবাইলের জন্য বিশেষ সার্চ ইঞ্জিন আনল গুগল। মঙ্গলবার প্রকাশিত হলো নতুন সেই সার্চ ইঞ্জিন। এই সার্চ ইঞ্জিনের নাম 'গুগল হাউস'। এতে ম্যাপ, ছবি খোঁজা যাবে সহজেই। অনুবাদও করা যাবে। গুগলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ৫০০ মিলিয়ন ভারতীয় কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। ৪৯০ মিলিয়ন ব্যবহার করে স্মার্টফোনে। প্রত্যেক মাসে ভারতে ৬ থেকে ৭ মিলিয়ন মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ভারতীয় গ্রাহকরা সহজেই এই অ্যাপসের মাধ্যমে যেকোনো ভাষা অনুবাদ করতে পারবে হিন্দিতে। এছাড়া যেকোনো ভাষায় লেখা সাইন বোর্ডের দিকে ক্যামেরা তাক করলেই সেই লেখা নিজের পছন্দ মতো ভাষায় পড়া যাবে। গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক দিন বিশ্বজুড়ে ১.৮ বিলিয়ন ফটো আপলোড হয়। এর ব্যাকআপ থাকছে গুগল ফটো অ্যাপে।
আজ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড
আজ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াড (বিডিজেএসও)’ প্রতিযোগিতা। আয়োজন করা হয়েছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা ‘আন্তর্জাতিক জুনিয়র সায়েন্স অলিম্পিয়াডের (আইজেএসও)’ প্রতিযোগী বাছাই করা হবে এ আয়োজন থেকে। বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (বিএফএফ) ও বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির (এসপিএসবি) আয়োজনে বিডিজেএসওতে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। ঢাকার টিচার্স ট্রেনিং কলেজে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিস্তারিত: http://spsb.org/bdjso।
Subscribe to:
Posts (Atom)




